ইউরোপের মানচিত্রে স্পেনকে দেখা যাচ্ছে।

স্পেন (স্পেনীয় ভাষায়: España, এস্পানিয়া, আ-ধ্ব-ব: [esˈpaɲa]) ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। এর রাজধানী মাদ্রিদ।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
স্পেনের জাতীয় পতাকা

স্পেন এর প্রথম দিকের আধিবাসীরা মূলত কেল্ট ও আইবেরিয়রা। এক দীর্ঘমেয়াদী ও প্রবল যুদ্ধের পর আইবেরিয় উপদ্বীপ (Iberian Peninsula) রোমান রাজত্বেরঅন্তর্ভুক্ত হয় এবং পরিচিত হয় হিসপিনিয়া (Hispinia) নামে। মধ্যযুগের প্রথমদিকে এটি জার্মান শাসনাধীনে গেলেও পরবর্তীকালে মুসলিমগণ দেশটি জয় করেন। শুরু হয় মুসলিম শাসন অবসানের জন্য উত্তরের খ্রিস্টান রাজ্যসমূহের এক এলোমেলো এবং অত্যন্ত দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। অবশেষে সফল হয় খ্রিস্টানরা। ১৪৯২ সালে, কলম্বাস যখন অজানা দ্বীপ আমেরিকায় পৌঁছেন, তখন মুসলিম শাসনের শেষ চিন্হটুকু নিশ্চিন্হ হয়ে যায় গ্রানাডা থেকে। নতুন সাম্রাজ্য স্পেনকে ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত করে এবং ষড়বিংশ শতাব্দী থেকে সপ্তবিংশ শতাব্দীর অর্ধভাগ পর্যন্ত স্পেন ছিল পৃথিবীর অন্যতম প্রধান পরাশক্তি।

স্পেনের এ স্বর্ণযুগ বিভিন্ন কোন্দল এবং অন্যান্য সমস্যার কারণে একসময় ম্লান হতে শুরু করে। উপরন্তু ঊনবিংশ শতাব্দিতে ফরাসিদের আক্রমণ দেশটিতে তৈরি করে ভীষণ বিশৃঙ্খল অবস্থা। ফুঁসে উঠা স্বাধীনতা আন্দোলন অধিকাংশ রাজ্যকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং রাজনৈতিকভাবে দেশটিতে অস্থিরতা সৃষ্ট করে। বিংশ শতাব্দীতে এক ধ্বংসাত্বক গৃহ যুদ্ধ ও পরবর্তীকালে স্বৈর শাসন এর ফলে দেশটিতে এক ধরণের স্থবিরতা বিরাজ করে যদিও তা শেষ হয় অর্থনৈতিক গতিশীলতার মধ্য দিয়ে। ১৯৭৮ সালে দেশটিতে গণতন্ত্র ফিরে আসে। এক সাংস্কৃতিক নবজাগরণ ও অর্থনৈতিক উন্নতির পর ১৯৮৬ সালে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেয়।

 

অভিবাসন — অভিবাসন বলতে এক দেশ থেকে অন্য আরেকটি দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের লক্ষ্যে মানুষের দ্বিতীয় দেশটিতে প্রবেশের ঘটনাকে বোঝায়। এর বিপরীত হল দেশান্তর (Emigration), যার অর্থ স্থায়ীভাবে কোন দেশ ত্যাগ করা।

আরও পড়ুনসম্পাদনা

  উইকিশৈশব ইউরোপসূচনাইইউ ভূগোললোকজনভাষাবিষয়কুইজ সম্পাদনা